
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জেলা ও মহানগর—উভয় শাখাতেই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। কেন্দ্রের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জের সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে এবং অতি দ্রুত থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কার্যক্রম বিস্তৃত করতে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা আব্দুল আউয়াল।
সংবাদ সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, কেন্দ্রীয় মেহমানদের উপস্থিতিতে অনুমোদিত এই কমিটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। বিভ্রান্ত হয়ে নতুন করে কেউ পাল্টা কমিটি ঘোষণা করলে তা আমলে নেওয়া হবে না। তবে কেউ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে এলে তাদের সাথে নিয়ে একসাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
সংগঠনের লক্ষ্য তুলে ধরে আল্লামা আব্দুল আউয়াল বলেন, ২০১৩ সালে আল্লামা আহমদ শফী (রহ.)-এর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত হয়নি। মূলত দ্বীনকে সমুন্নত রাখতে এবং বাতিলপন্থীদের জবাব দিতেই এটি মাঠে কাজ করছে। ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত হেফাজতের নেতাকর্মী ও মাদ্রাসা ছাত্ররা রাজপথে আন্দোলন ও শাহাদত বরণ করেছেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীকে সংগঠন থেকে দূরে রাখার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ওলামায়ে দেওবন্দের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীকে ইসলামী দল হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়নি। তারা যতদিন পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে নিজেদের ইসলামী দল হিসেবে পরিষ্কার না করবে, ততদিন পর্যন্ত তাদের হেফাজতে না নেওয়ার এই অবস্থান বহাল থাকবে।







