
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহ ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণ, ডাকাতিতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও স্বর্ণ গলানোর যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৮ আগস্ট ভোররাত সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা ২৫ মিনিটের মধ্যে ফতুল্লার ভুঁইগড় তালতলা সামছুল হক খান মসজিদ এলাকায় মো. হান্নান হোসাইনের বাড়িতে ১০ থেকে ১২ জনের একটি ডাকাত দল গ্রিল কেটে প্রবেশ করে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ও মারধর করে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৭ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামানের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতদের শনাক্ত করে। পরে ঢাকার তুরাগ ও ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকা এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—বরিশালের বাকেরগঞ্জের বিহারীপুর এলাকার শহিদুল খান (৪৬) এবং সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর এলাকার কাউসার মল্লিক ওরফে হৃদয় (২৭)।
তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, লুণ্ঠিত ১ ভরি ২ রতি স্বর্ণ, একটি ব্যাংক হিসাব এবং স্বর্ণ গলানোর যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় ১৪ সদস্যের একটি দল ডাকাতিতে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও খুনসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পলাতক অন্য ডাকাত সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







