
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হচ্ছে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্ত অবস্থান। দলের ঐতিহ্যবাহী এই ঘাঁটিতে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তা নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে প্রতিদিনই বেড়েছে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ যেখানে কাসেমীর পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন কাসেমী। বাজার, মসজিদ প্রাঙ্গণ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও পারিবারিক দাওয়াতে তার উপস্থিতি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। অনেক ভোটার বলছেন, নির্বাচনের আগে নয় বরং দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় পরিচিত মুখ হওয়ায় কাসেমীকে নিয়ে আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, প্রচারণার শেষ ধাপে এসে বিএনপির সব অঙ্গসংগঠনের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হয়েছে। যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল মাঠে সক্রিয় থাকলেও মূল জোর দেওয়া হয়েছে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। নেতাকর্মীদের ভাষায়, “ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আমরা শুধু ভোট চাইছি না, তাদের কথা শুনছি এটাই কাসেমীর রাজনীতি।”
এদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাভাজন প্রার্থী হিসেবে কাসেমীর অবস্থান দলীয় ভোট একত্রিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে কাসেমীকে কার্যকর প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন দলের সমর্থকরা এবং সাধারন ভোটারদেও অনেকে।
তরুণ ভোটারদের মধ্যেও আলোচনায় রয়েছে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়নের মতো বিষয়। তারা মনে করছেন, ক্ষমতার রাজনীতির বাইরে এসে এলাকার বাস্তব সমস্যা সংসদে তুলে ধরতে পারবেন এমন একজন প্রতিনিধি প্রয়োজন, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগ থাকবে। এই প্রত্যাশার জায়গায় কাসেমীর নামই ঘুরে ফিরে আসছে।
সবশেষে বলা যায়, নির্বাচনী উত্তাপের সঙ্গে সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির ঘাঁটি আরও সুসংহত হয়েছে। মাঠের চিত্র বলছে, ঐক্য ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারলে ভোটের ফলাফল কাসেমীর অনুকূলেই যাবেএমন প্রত্যাশাই করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।







