
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় দলের নেতৃত্ব দেওয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি ক্লিন ইমেজ ছিল শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও। তার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে যেভাবে জাতি তাকে স্মরণ করছে, সেটাই প্রমাণ করে তিনি কতটা সম্মানিত নেতা ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া অল্প কথা বলতেন, কিন্তু যা বলতেন তা বাস্তবসম্মত ও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতেন। এজন্যই জাতি তাকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তার রেখে যাওয়া আদর্শ ও শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন আঁকড়ে ধরে এগোতে পারলে দেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, আচার-আচরণ ও নেতৃত্ব যদি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ধারণ করতে পারে, তাহলে বিএনপিকে কোনোদিন ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব হবে না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসন বিএনপির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে, নাকি পিছিয়ে পড়ার পথে। নারায়ণগঞ্জের পাঁচ আসনে বিএনপির ধানের শীষের কাণ্ডারি হচ্ছেন অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। তাকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চাইতে হবে। তবে সমাজবিরোধী, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দল থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানান তিনি। কিছু রাজনৈতিক শক্তি ধর্মের নামে মানুষকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। বিএনপি সে পথে হাঁটতে চায় না। বিএনপি একটি আধুনিক, টেকসই ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে সেই রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, এই জেলায় কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই হবে না। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের সঠিক পথে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে। বিএনপি সবসময় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করতে পারবে।
ীরুষ্ঠানে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউছার আশা, শিল্পপতি আবু জাফর আহমেদ বাবুল, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার প্রধান সহ প্রমুখ।







