অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে স্বাগত জানাচ্ছে নারায়ণগঞ্জবাসী

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োজিত

0
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে অভিনন্দন জানাচ্ছে বিভিন্ন মহল।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরেই একজন সৎ, শিক্ষিত ও কর্মঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। রাজনীতির পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবেও তার সুনাম রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পরিচিতি একজন আদর্শবাদী ও ভদ্র স্বভাবের নেতা হিসেবে। তাই তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত সততার কারণে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিগত পনেরো বছর দেশের ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক চাপ, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তার সহকর্মীরা দাবি করেন। এরপরও তিনি রাজনীতিতে ধৈর্য ও নীতির সঙ্গে কাজ করে গেছেন। ফলে তাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকেই তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সাথেও কথা বলে এমনই প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। শহরের চাষাঢ়া এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ একজন ভদ্র ও সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত। আমরা আশা করি তিনি দায়িত্ব পেলে জেলা পরিষদের কাজে স্বচ্ছতা আনতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের উপকারে আসবেন।

ফতুল্লা এলাকার বাসিন্দা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, রাজনীতিতে অনেকেই আসে কিন্তু সবাই মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে না। মামুন মাহমুদ সাহেব দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছেন এবং তিনি একজন শিক্ষিত মানুষ। তাই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে জেলার উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা মনে করি।

অন্যদিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গৃহিণী শামীমা আক্তার বলেন, আমরা চাই সৎ ও ভালো মানুষরা প্রশাসনের দায়িত্ব পাক। যদি তিনি সত্যিই মানুষের জন্য কাজ করেন, তাহলে সাধারণ মানুষ তার পাশে থাকবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, একজন সুশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ নেতার হাতে জেলা পরিষদের দায়িত্ব অর্পণ করা হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসতে পারে। জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় একজন দায়িত্বশীল প্রশাসকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ধারণা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সিদ্ধান্ত নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দেবে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে। দায়িত্ব পাওয়ার পর অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তার অভিজ্ঞতা, সততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবেন এমন প্রত্যাশাই করছেন জেলার সচেতন মহল।

সব মিলিয়ে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এমন একটি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে, একজন সৎ ও পরীক্ষিত নেতার হাতে দায়িত্ব যাওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনমুখী হবে। এজন্য অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন এবং আগামী দিনে তার সফলতা কামনা করছেন।