
প্রিপেইড মিটার বাতিল ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে সমাবেশ ও গণমিছিল করেছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরাম।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি গণমিছিল চাষাঢ়া থেকে শুরু হয়ে কালীবাজার হয়ে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যুতের অযৌক্তিক স্ল্যাব ও প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত বিলের বোঝা চাপানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদের না জানিয়ে বাসাবাড়িতে গিয়ে আগের মিটার খুলে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল দাবি করেন, সাতটি অন্যায্য স্ল্যাবের কারণে বাস্তবে বিদ্যুৎ বিল ১০০ থেকে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তার দাবি, ডিপিডিসির এ ব্যবস্থার কারণে অনেক গ্রাহকের ১ হাজার টাকার বিল ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দ্রুত বিদ্যুৎ বিলের কারচুপি ও প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। তিনি ১২ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও গণকমিটি গঠন, ২৫ আগস্ট গণঅনশন এবং ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে হরতালের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, তাদের দাবির সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন সংহতি জানিয়েছেন বলে তারা দাবি করেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক অধিকার ফোরামের উপদেষ্টা হাজী রুহুল আমীন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, ভবানী শঙ্কর রায়সহ বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহার এবং বিদ্যুৎ বিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।







