
ফতুল্লায় সংঘর্ষের ঘটনায় মামলায় আসামি করার বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি। তিনি দাবি করেছেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে না দেওয়ার লক্ষ্যেই একটি মহল তাকে এই মিথ্যা অপরাধে জড়ানোর চেষ্টা করছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) মামলায় নাম আসার পর এক প্রতিক্রিয়ায় রনি বলেন, “ফতুল্লায় এখন এমন এক নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে যে, কে কাকে কীভাবে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে রাজনীতি থেকে ‘আউট’ করে দেবে—সেই অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। আমার বিরুদ্ধে এই মামলা সেই ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ।”
বিগত ১৭ বছরের লড়াইয়ের প্রসঙ্গ নিজের রাজনৈতিক ত্যাগের কথা উল্লেখ করে রনি বলেন, “আমি বিগত ১৭ বছর রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছি, মাঠে ছিলাম। আজ যখন দল ও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এসেছে, তখনই আমাকে ঘায়েল করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, এসব করে আমাকে দমানো যাবে না। কারণ আমার রাজনীতি হচ্ছে সাধারণ মানুষকে নিয়ে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে।”
জনকল্যাণের অঙ্গীকার তিনি আরও যোগ করেন, “আমি কখনোই মানুষের কল্যাণের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করিনি। আমার শক্তি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জবাসী ও আমার নেতাকর্মীদের ভালোবাসা। কোনো ভিত্তিহীন মামলা বা অপচেষ্টা আমার রাজনৈতিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। সত্যের জয় হবেই।”
এদিকে, রনিকে আসামি করার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় তার সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনুসারীরা এই মামলাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
সমর্থকদের দাবি, বিগত সরকারের আমলে গুম ও ক্রসফায়ারের মতো ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়েও রনি রাজপথ ছাড়েননি। সেই ত্যাগী নেতাকে এখন নিজ দলের শাসনামলে বা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রনির নাম মামলা থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।







