রূপগঞ্জে ৪৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, পালিয়েছে কারবারিরা

৪ মাদক কারবারি শনাক্ত

5
রূপগঞ্জে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে জব্দকৃত ফেন্সিডিল ও গাঁজা।
রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ঝোপঝাড় থেকে উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও গাঁজা।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত ঝোপঝাড় থেকে ৪৫০ বোতল ফায়ার ড্রিল (ফেন্সিডিল জাতীয় মাদক) এবং ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়।

রোববার (১৫ মার্চ) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার ঠাকুরবাড়িরটেক এলাকার সীম গ্রুপের কোয়ার্টারের পাশে এই অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল নিয়মিত টহলে ছিল। এ সময় তারা গোপন সংবাদ পায় যে, ঠাকুরবাড়িরটেক এলাকায় দেয়াল ঘেরা একটি পরিত্যক্ত ঝোপঝাড়ে কয়েকজন মাদক কারবারি কেনাবেচার জন্য বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে অবস্থান করছে।

এই তথ্যের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবিবের নেতৃত্বে পুলিশ স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে ওই স্থানে যায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই কারবারিরা কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া ৪৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে।

এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় পালিয়ে যাওয়া চারজন মাদক কারবারিকে শনাক্ত করা হয়। তারা হলো— ভুলতা ইউনিয়নের লাভরাপাড়া এলাকার আমিনউদ্দীন প্রধানের ছেলে জুয়েল প্রধান (৪০), ইউনুস ফকিরের ছেলে মেরাজ মিয়া (৩৬), রফিকুল ইসলামের ছেলে রাসেল মিয়া (৪০) এবং আমজাদ হোসেনের ছেলে সজীব মিয়া (২৫)। তাদের সাথে আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিল বলে জানা গেছে।

নারায়ণগঞ্জ ‘সি’ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইসলাম এবং রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেনের তত্ত্বাবধানে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।