সাবমারসিবল পাম্পে থাকছে না কোনো ট্যাক্স বা ফি!

নাসিক প্রশাসকের বড় সাফল্য

246
সাবমারসিবল পাম্পে থাকছে না কোনো ট্যাক্স বা ফি
সাবমারসিবল পাম্পে থাকছে না কোনো ট্যাক্স বা ফি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলায় আনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত সাবমারসিবল পাম্পের ফি বা ট্যাক্স পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। নগরবাসীর অর্থনৈতিক স্বস্তি এবং জনদাবির প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে নাসিক প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে বিশেষ আলোচনা করে এই ট্যাক্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, নগরীতে অপরিকল্পিতভাবে গভীর নলকূপ বসানোর কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। এই সংকট মোকাবিলায় কেবল একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ বা তথ্যভান্ডার তৈরির উদ্দেশ্যে নামমাত্র একটি প্রশাসনিক ফি চালুর প্রাথমিক চিন্তাভাবনা করা হয়েছিল। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিষয়টিকে ‘জনবিরোধী ট্যাক্স’ হিসেবে অতিরঞ্জিত করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়।

সূত্রটি নিশ্চিত করেছে, সাধারণ নগরবাসীর ওপর যেন কোনো ধরনের বাড়তি আর্থিক চাপের ছায়াও না পড়ে—সেজন্য নাসিক প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান স্বউদ্যোগে সরকারের ওপর মহলের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর তিনি এই প্রস্তাবিত ফি বা ট্যাক্স পুরোপুরি প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হন। সরকারের এই সবুজ সংকেতের পর সাবমারসিবল পাম্পের ওপর আর কোনো প্রকার আর্থিক বোঝা থাকছে না।

এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রমাণিত হলো যে, বর্তমান প্রশাসন কোনো কর চাপানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং পুরোপুরি জনস্বার্থে কাজ করছে। অন্যায্য অপপ্রচারের মুখে পিছু না হটে, উল্টো আলোচনার মাধ্যমে সরকারের ওপর মহল থেকে ট্যাক্স বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আসায় নাসিক প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের দূরদর্শিতা ও জনবান্ধব মানসিকতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

স্থানীয়দের মতে, একটি মহল যেখানে এই নামমাত্র ফি-কে ইস্যু বানিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার খোঁজে ছিল, সেখানে সাখাওয়াত হোসেন খান সরাসরি সরকারের উচ্চপর্যায়ের মাধ্যমে ট্যাক্স বাতিল করে সেই অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন।