বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে অস্থিরতার পেছনে উপজেলা প্রকৌশলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন?

59
বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত রুবেল
বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত রুবেল

বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত রুবেলের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, ইউনিয়ন পরিষদকে ঘিরে চলমান বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতায় তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বক্তাবলী ইউনিয়নের অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাদের অভিযোগ, পরিষদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন তথ্য নির্দিষ্ট কয়েকজন সদস্যের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে, যার ফলে পরিষদের কার্যক্রমে বিভক্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে চলমান বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া ও আদালত সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও তার পরামর্শ বা ভূমিকা ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অনেকের অভিযোগ, ২০২৪ এর আগস্টের পর থেকে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কমিশন বাণিজ্যের সংস্কৃতি বিস্তারে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভূমিকা রাখছেন। এ ক্ষেত্রেও উপজেলা প্রকৌশলীর নাম আলোচনায় এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এদিকে, বক্তবলী ইউনিয়ন পরিষদের চলমান পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্ভাব্য প্রভাব বিস্তার এবং অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে উপজেলায় তার কার্যালয়ে বসেই নানা ষড়যন্ত্রর জাল বোনা হচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল অবিলম্বে এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের সুযোগ্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এসব বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াসির আরাফাত রুবেল বলেন, এই অভিযোগ সত্য নয়। আমি যখন প্রশাসক ছিলাম তখন রশিদ সাহেব রিট করে আমাকে প্রশাসক পদ থেকে সরিয়েছে। আমি তার বা কারো সাথে মিলে কেন কিছু করবো। যেহেতু আমি উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বরত আছি, তাই বিভিন্ন ইউনিয়নের মতো বক্তাবলীর বিভিন্ন মেম্বাররা আমার কাছে বিভিন্ন কাজে আসে। বক্তাবলীতে কম বরাদ্দ দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা তো আমার দায়িত্ব নয়, এটা ইউএনও মহোদয়ের দায়িত্ব।