
হবিগঞ্জের পর এবার সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে গোলাপগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি হামলাকারীদের বিএনপির ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সমাবেশ শেষে সারজিস আলমকে বহনকারী গাড়িটি পুলিশের প্রটোকলসহ পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পৌরসভা গেটের সামনে অবস্থান নেওয়া ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন।
একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে গাড়িবহরে থাকা ব্যক্তিদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পানির বোতল ও ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। গাড়িবহরটি কিছুটা সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইট এসে সারজিস আলমের গাড়ির কাচে আঘাত করে।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে গাড়িবহরটি। ঘটনার পরপরই ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মিছিল নিয়ে গাড়িবহরের পেছনে ছুটতে দেখা যায় বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে এনসিপি সিলেট জেলার আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে বিএনপির একদল উচ্ছৃঙ্খল কর্মী হামলা চালিয়েছে। তাদের নিবৃত্ত করতে পুলিশ কোনো ভূমিকা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
এদিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সিলেটের পাঁচটি উপজেলায় পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার কানাইঘাট ও ওসমানীনগরে পৃথক কর্মসূচি রয়েছে।
দলটির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকরা এসব মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নিতে বর্তমানে সিলেটে অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগের ঘটনা ঘটল।







