
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলামকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিনের নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে এবং দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের ভরাডুবির পরও অধ্যাপক মনির দাবি করছেন— তিনিই এখনো ফতুল্লা থানা বিএনপির ‘১ নম্বর সদস্য’। তার এমন দম্ভোক্তিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত এবং হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত নির্বাচনে মনির দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিনের প্রধান সংগঠক ও সমন্বয়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, তিনি নির্বাচনের সময় প্রকাশ্যেই গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন এবং দলীয় প্রার্থীর নেতাকর্মীদের নানাভাবে হুমকি দিয়েছেন। নির্বাচনে গিয়াস উদ্দিনের শোচনীয় পরাজয়ের পর যখন তার অনুসারীরা কোণঠাসা ও আত্মগোপনে, ঠিক সেই মুহূর্তে অধ্যাপক মনিরের এই ‘১ নম্বর সদস্য’ হওয়ার দাবি স্থানীয় রাজনীতিতে ঘি ঢেলে দিয়েছে।
ফতুল্লার সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীদের মতে, অধ্যাপক মনির একদিকে বলছেন তিনি কোনো সন্ত্রাসীকে প্রশ্রয় দেন না বা হুমকি দেন না, অন্যদিকে নিজেকে এখনো শীর্ষ নেতা দাবি করে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছেন। নিজেকে ‘১ নম্বর সদস্য’ হিসেবে জাহির করাকে অনেকে তার ‘রাজনৈতিক হতাশা’র বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন। গিয়াস উদ্দিনের ভরাডুবিতে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার যেখানে খাদের কিনারে, সেখানে এমন দম্ভোক্তি দলীয় চেইন অব কমান্ডের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রশ্ন, দলের সাথে বেইমানি করার পরও তিনি কেন তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না?







