
গতকাল নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহন করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর নারায়ণগঞ্জ, যেখানে গার্মেন্টস, রপ্তানি খাত, ছোট-বড় শিল্প, শিপিং ও লজিস্টিক সেক্টরসহ সব ধরনের ব্যবসা সক্রিয়, নির্বাচনের পর অর্থনৈতিক কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রকাশ করছেন এই শহরের সর্ব স্থরের জনগন। দেশের অর্থনীতিতে শহরটি লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান ও দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নির্বাচনের সময় শহরের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কিছুটা কার্যক্রম ধীর করলেও, এখন উৎপাদন ও বাণিজ্য ক্রমেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে শিফটভিত্তিক কর্মসূচি পুনরায় চালু হয়েছে, এবং রপ্তানিমুখী পণ্য সরবরাহে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিল্প ব্যবসায়ীদের মতে, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে নারায়ণগঞ্জের অর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার হবে। বিশেষ করে, নগরীর লজিস্টিক, হালকা ও ভারী শিল্প, ট্রেডিং ও ছোট ও মাঝারি ব্যবসা খাতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পরবে বলে ব্যবসায়ীরা ধারনা করছেন।
লাখ লাখ শ্রমিকের জন্যও এটি একটি আশার বার্তা। কারখানার শিফট পুনরায় শুরু হওয়ায় শ্রমিকদের নিয়মিত আয় ফিরে এসেছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে কর্মসংস্থান ও শ্রম নীতি আরও সুরক্ষিত হবে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে নারায়ণগঞ্জের শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হবে। শহরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিনিয়োগ ও নতুন উদ্যোগের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করছে।
ফলে, নারায়ণগঞ্জ শুধুমাত্র স্থানীয় অর্থনীতি নয়, পুরো দেশের রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।







