
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গত ০৩ নভেম্বর দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এদিন নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতে আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করলেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। ফাঁকা এই আসনের বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য জোট হলে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বা এনসিপিকে এ আসন ছেড়ে দিতে পারে বলে নির্বাচনি এলাকায় জোর আলোচনা রয়েছে।
এদিকে ফাঁকা এই আসনটির মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতারা বলছেন, তারা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছেন এ আসন সম্ভাব্য জোটের শরিক দলগুলোকে ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি। যদি এই আসন এনসিপি বা অন্য কোনো সম্ভাব্য শরিককে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে আসনটিতে শরিকদের বড় ভরাডুবির শঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসনটি জামায়াতের ঝুলিতে যাওয়ারও সম্ভাবনা আছে।
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা আরও বলছেন, এই ফাঁকা আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অনেকেই বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তিন-চারজন হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকায় যাচাই-বাছাইয়ের জটিলতায় মনোনয়ন ঘোষণা বন্ধ রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসন থেকে সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব ও জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এ আসনে বিএনপির আরও দুইজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুল বারী ভুইয়া। অন্যদিকে আসনটিতে এনসিপির জেলার মুখ্য সমন্বয়ক এড. আব্দুল্লাহ আল আমিনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। ইতোমধ্যে তিনি এনসিপির মনোনয়ন ফরম তুলেছেন।
উল্লেখ্য, গত ০৩ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান ও নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনে ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামানকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে।







