
“দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং আমি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিরসন করার জন্য আমি সরকারি অনুদানের দিকে তাকিয়ে থাকবো না।”— এমন বলিষ্ঠ অঙ্গীকার করেছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম।
বিশেষ করে, তিনি ফতুল্লার ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সমস্যাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গতকাল দৈনিক শীতলক্ষ্যার প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ফলস্বরূপ, তার এই বক্তব্য স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
(H2) ফতুল্লার জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যক্তিগত উদ্যোগের অঙ্গীকার
আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, “ফতুল্লার ডিএনডি এলাকাতেই আমার বাড়ি এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান। তাই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার ভুক্তভোগী আমরা নিজেরাও।” তিনি জানান, জনগণের প্রতিনিধি না হয়েও তিনি সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।
এরপরেও, তিনি কয়েক বছর আগে লালপুরে নিজ খরচে একটি পাম্প মেশিন স্থাপন করেছেন এবং সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পাইপগুলোও পরিবর্তন করে দিয়েছেন।
শাহ আলম বলেন, “আমি অন্তত একবার সুযোগ চাই। নির্বাচিত হলে যেকোনো মূল্যে এলাকাবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেবো, ইনশাআল্লাহ।”
অবকাঠামো ও শিক্ষাখাতেও ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা
শুধু জলাবদ্ধতা নয়, শাহ আলম ফতুল্লার সার্বিক উন্নয়ন নিয়েও তার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
তিনি আরও যোগ করেন, “নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মধ্যে ফতুল্লা থানা এলাকাটি সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।
এখানে পরিকল্পিত কোনো রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা বা ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এমনকি একটি হাসপাতালও নেই।”
মূলত, পরিকল্পিত উন্নয়নের অভাবেই এই এলাকাটি পিছিয়ে আছে বলে তিনি মনে করেন।
পরিশেষে, তিনি নির্বাচিত হলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এসব খাতে উন্নয়ন করার অঙ্গীকার করেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।







