ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে আবারও রনির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

132
ষড়যন্ত্রের শিকার নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি-কে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে এক ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় এক নেতার ইন্ধনে নারায়ণগঞ্জের একটি গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা রনিকে ‘শীর্ষ চাঁদাবাজ’ হিসেবে চিহ্নিত করে একটি বানোয়াট রিপোর্ট জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই মিথ্যা রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্য রনিকে গ্রেপ্তার করানো।

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ‘চাঁদাবাজ’ তকমা!

আশ্চর্যের বিষয় হলো, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মশিউর রহমান রনি-কে ‘শীর্ষ চাঁদাবাজ’ বলা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্যপ্রমাণ নেই। চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে কোনো ব্যবসায়ী, শিল্পপতি বা সাধারণ নাগরিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ থাকতে হয়। কিন্তু, নারায়ণগঞ্জের কোনো থানায় রনির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো জিডি বা মামলা নেই। এমনকি কোনো গণমাধ্যমেও এ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি। ফলে, কোনো ভিত্তি ছাড়াই এমন একটি প্রতিবেদন দাখিল করাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

অতীতেও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন রনি

সূত্র বলছে, রনির বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র এবারই প্রথম নয়। এর আগে, আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ইশারায় নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন এসপি (পুলিশ সুপার) রনিকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময়, তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। তাকে গ্রেপ্তার করে বারবার রিমান্ডে নিয়ে নির্মম নির্যাতনও করা হয়েছিল। তবে, কিছু গণমাধ্যমের শক্ত অবস্থানের কারণে সে যাত্রায় তাকে ক্রসফায়ার করা সম্ভব হয়নি। ঠিক একইভাবে এখন তাকে মিথ্যা গোয়েন্দা রিপোর্টের মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয়তাই কি কাল হলো?

মশিউর রহমান রনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল তথা বিএনপির একজন উদীয়মান ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। বিগত সরকারের আমলেও তিনি দলের জন্য ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার এই রাজনৈতিক সম্ভাবনা এবং জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে এখানেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে, অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি বিগত সরকার আমলে রনির অবদান সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি তার ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন পাবেন বলেই আশা করা যাচ্ছে।

https://narayanganjfirstnews.com/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%9a/