
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে
আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়ে দলটি পাঁচ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
জামায়াত বলছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যে সাংবিধানিক শূন্যতা ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই পদক্ষেপ জরুরি। তারা বিশ্বাস করে, জনগণের দাবিসমূহ বাস্তবায়নে গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।
জামায়াতের ঘোষিত প্রধান দাবিগুলো নিম্নরূপ:
১. জুলাই জাতীয় সনদের ওপর ভিত্তি করে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সকল দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা।
৪. ফ্যাসিবাদী সরকারের সকল অন্যায়, নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াত দেশব্যাপী তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে:
১৮ সেপ্টেম্বর: রাজধানী ঢাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল।
১৯ সেপ্টেম্বর: দেশের সকল বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল।
২০ সেপ্টেম্বর: দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল।
দলটি আশা করছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে উঠবে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।







